14.11.18
চিরকুট লিখে আত্মহত্যা করেছেন তানিয়া আক্তার রেলেনা (২০) নামের এক তরুণী। মঙ্গলবার (১৩ নভেম্বর) তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনা ঘটেছে মৌলভীবাজারের সদর উপজেলায়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মৌলভীবাজার মডেল থানা পুলিশের এসআই বিকাশ বলেন, এটি আত্মহত্যা। তরুণীর মরদেহের পাশে একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। সেখানে বাবুল নামে একজনকে মৃত্যুর জন্য দায়ী করেছেন তরুণী। তদন্তের পর বিষয়টি পরিষ্কারভাবে জানা যাবে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, বাবুল নামের এক ছেলের সঙ্গে তানিয়ার দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বাবুলের কাছে প্রতারিত হয়ে আত্মহত্যা করেছেন তানিয়া।
জানা যায়, ওই তরুণীর মরদেহের পাশে একটি চিরকুট পেয়েছে পুলিশ। আত্মহত্যার জন্য চিরকুটে এক যুবককে দায়ী করেছেন তিনি। মৃত তানিয়া আক্তার সদর উপজেলায় নাজিরাবাদ ইউনিয়নের আগনসী গ্রামের মৃত আহাদ মিয়ার মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে বাড়ির ছাদের গ্রিলের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে তানিয়া। পরে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে মৌলভীবাজার হাসপাতালে নিয়ে যায় স্বজনরা। সেখানে নিলে চিকিৎসক জানান, আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
মরদেহের পাশে একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। চিরকুটে লিখা রয়েছে, ‘আমার জীবন নষ্ট করে দিয়েছে বাবুল। আর কেউ নয়, আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী সে। আমার মোবাইলে তার অপকর্মের সব রেকর্ড আছে।’
চিরকুট লিখে আত্মহত্যা করেছেন তানিয়া আক্তার রেলেনা (২০) নামের এক তরুণী। মঙ্গলবার (১৩ নভেম্বর) তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনা ঘটেছে মৌলভীবাজারের সদর উপজেলায়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মৌলভীবাজার মডেল থানা পুলিশের এসআই বিকাশ বলেন, এটি আত্মহত্যা। তরুণীর মরদেহের পাশে একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। সেখানে বাবুল নামে একজনকে মৃত্যুর জন্য দায়ী করেছেন তরুণী। তদন্তের পর বিষয়টি পরিষ্কারভাবে জানা যাবে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, বাবুল নামের এক ছেলের সঙ্গে তানিয়ার দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বাবুলের কাছে প্রতারিত হয়ে আত্মহত্যা করেছেন তানিয়া।
জানা যায়, ওই তরুণীর মরদেহের পাশে একটি চিরকুট পেয়েছে পুলিশ। আত্মহত্যার জন্য চিরকুটে এক যুবককে দায়ী করেছেন তিনি। মৃত তানিয়া আক্তার সদর উপজেলায় নাজিরাবাদ ইউনিয়নের আগনসী গ্রামের মৃত আহাদ মিয়ার মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে বাড়ির ছাদের গ্রিলের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে তানিয়া। পরে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে মৌলভীবাজার হাসপাতালে নিয়ে যায় স্বজনরা। সেখানে নিলে চিকিৎসক জানান, আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
মরদেহের পাশে একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। চিরকুটে লিখা রয়েছে, ‘আমার জীবন নষ্ট করে দিয়েছে বাবুল। আর কেউ নয়, আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী সে। আমার মোবাইলে তার অপকর্মের সব রেকর্ড আছে।’
1.11.18
সায়েমের সুইসাইড নোট পড়ে হতবাক সবাই! বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রের আত্মহত্যা
0 comments Posted by Nahid Parvwzপ্রেমিকাকে উদ্দেশ্য করে সুসাইড নোট লিখে (ইবি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রের আত্মহত্যা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) এক ছাত্র প্রেমে ব্যর্থ হয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মৃত সাইফুজ্জামান সায়েম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র ছিলেন।মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে ক্যাম্পাস সংলগ্ন শেখপাড়া বাজারের বাসা থেকে সিলিং ফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায় পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। সাইফুজ্জামান ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের আজম খানের ছেলে।
পুলিশ জানায়, তার কক্ষ থেকে তিন পাতার একটি সুইসাইড নোট জব্দ করা হয়েছে। ওই নোটে লিখা রয়েছে, ‘‘বাবু তোমাকে অনেক ভালোবাসি, জীবনের প্রতিটি মোড়ে তোমাকে চাই, তুমি কোনোদিন হয়ত আমার হবে না, তোমাকে আমার থেকে কেউ কোনোদিন বেশি ভালোবাসতে পারবে না জেনে নিও।’’স্থানীয় বিপুল নামের এক ব্যক্তি জানান, ‘মা মঞ্জিল’ নামক ওই ভবনের নিচতলার কক্ষে একাই থাকতেন সায়েম। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে তার সঙ্গে শেষ কথা হয়। বিকেলে তার কক্ষের কাছে গেলে ভিতর থেকে দরজা বন্ধ পাওয়া যায়।
সে ঘুমিয়েছে ভেবে ডাকাডাকি না করে চলে যাই। পরে সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত হলেও দরজা বন্ধ দেখে আমাদের সন্দেহ হয়।
রাতে দরজার নিচের ফাঁক দিয়ে সায়েমের ঝুলন্ত পা দেখতে পেয়ে চিৎকার করে সবাইকে ডাকতে থাকি।পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান ও শৈলকুপা থানার ওসি আলমগির হোসেন এসে দরজা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে সায়েমের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। এসময় তার বিছানার উপর পড়ে থাকা ডায়েরিতে তিন পাতার একটি ‘সুইসাইড নোট’ পাওয়া যায়।
সায়েমের কয়েকজন সহপাঠীর বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গত কয়েকদিন ধরে সায়েম বিষন্ন ছিল। জানা গেছে, ওই এলাকায় একটি মেয়ের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল।বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। কোন শিক্ষার্থী যেনো তার জীবনে এ রকম কাজ না করে।’
শৈলকুপা থানার ওসি তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ওই ডায়রিতে লেখা চিরকুট দেখে প্রেমঘটিত কারণে সায়েম আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা চলছে।’
Labels: আত্মহত্যা
31.10.18
প্রথমে গড়েছিলেন প্রেমের সম্পর্ক। তারপর বিয়ে। বিয়ের পর স্বামীর বাড়িতে গিয়ে দেখেন, তিনি আগে থেকেই বিবাহিত এবং সেই স্ত্রীর সংসারে এক সন্তানও রয়েছে। আর শ্বশুর-শাশুড়ীও তাকে মেনে না নেওয়ায় ফেরত রেখে আসা হয় বাবার বাড়িতে। এরপর বিয়ে বিচ্ছেদের আলোচনা শুরু হওয়ায় অপমানে-ক্ষোভে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন তিনি।
গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করা কিশোরীর নাম সালমা খাতুন (১৪)। বুধবার (২৪ অক্টোবর) রাতে সদর উপজেলার ছোনগাছা ইউনিয়নের বালিঘুগরীর চর থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সালমা বালিঘুগরী গ্রামের আকতার হোসেনের মেয়ে। এ ঘটনায় তার স্বামী সাইফুল ইসলামকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে।
সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোকারম হোসেন বাংলানিউজকে জানান, সালমা তার মায়ের সঙ্গে ঢাকায় গার্মেন্টেসে কাজ করতেন। সেখানে সহকর্মী কুষ্টিয়ার বাসিন্দা সাইফুলের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক হয়। প্রায় ১০-১২ দিন আগে তারা বিয়েও করেন। বুধবার সকালে স্বামীর সঙ্গে কুষ্টিয়া যান সালমা। সেখানে গিয়ে জানতে পারেন, তার স্বামী বিবাহিত এবং সে স্ত্রীর সংসারে একটি সন্তানও রয়েছে। এ অবস্থায় সাইফুলের বাবা-মা সালমাকে নাবালিকা বলে বাবার বাড়িতে রেখে আসতে বলেন।
রাতে সাইফুল সালমাকে নিয়ে তার বাবার বাড়ি সিরাজগঞ্জের বালিঘুগরীতে আসেন। সব শুনে পরিবারের লোকজন রাতেই তাদের বিয়ে বিচ্ছেদের বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে থাকেন। এ অবস্থায় অপমানে-ক্ষোভে সালমা অন্য একটি ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
খবর পেয়ে গভীর রাতেই তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৫ অক্টোবর) সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।